Showing posts with label kamal chakraborty. Show all posts
Showing posts with label kamal chakraborty. Show all posts

Tuesday, September 03, 2024

মাটির মানুষ





চরিত্র:


- **কমলবাবু**: পুরুলিয়ার ভালপাহাড়ের বাসিন্দা, যিনি মাটি ও মানুষের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।

- **ভাটেল হেমব্রম**: একজন প্রবীণ সাঁওতাল উপজাতি, যিনি 'ডাউজার' হিসেবে পরিচিত, ভূগর্ভস্থ জল খোঁজার বিশেষজ্ঞ।

- **রাজীব**: শহরের বন্ধু, যিনি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি নিয়ে সন্দিহান।

- **ডেলা হেমব্রম**: একজন তরুণ সাঁওতাল মেয়ে, পর্যবেক্ষক ও কৌতূহলী।

- **মনসারাম কুজুর**: সাঁওতাল উপজাতির আরেকজন প্রবীণ, জ্ঞানী ও ধৈর্যশীল।


---


 দৃশ্য ১: কমলবাবুর আবাস, ভালপাহাড়


কমলবাবু ভালপাহাড়ের ছোট্ট বাড়ির বারান্দায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন, আর সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়েছে। আমি এবং আমার স্ত্রী মিষ্টি বাতাসের মাঝে বসে তাঁর গল্প শুনছিলাম। শহরের ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে আমরা এখানে এসেছি।


**আমি**: "কমলবাবু, আপনি আমাদের এই জায়গার অনেক চমকপ্রদ গল্প বলেছেন। কিন্তু সম্প্রতি আমি শুনেছি সাঁওতালরা লাঠি দিয়ে ভূগর্ভস্থ জল খোঁজে। এটা কি সত্যি?"


**কমলবাবু**: (মুচকি হেসে) "হ্যাঁ, এটি একটি প্রাচীন শিল্প। let me share an extraordinary experience I had with the Santhals, particularly with Bhatel Hembram, the oldest dowser among them."


**আমি**: (উত্তেজিত হয়ে) "আচ্ছা, বলুন।"


**কমলবাবু**: "একদিন কলকাতা থেকে আমার বন্ধু রাজীব এসেছিল।"


---

 দৃশ্য ২: পুরুলিয়ার গরম দিন


সেদিন খুব গরম পড়েছিল। মাটির উপরের তাপ এত বেশি ছিল যে  মনে হচ্ছিল চাঁদি ফেটে যাবে। বাপরে বাপ এরকম গরম আগে কখনও দেখি নি l গাছপালা শুকনো এবং ঝুলে পড়েছে। কমলবাবু,রাজীব, ভাটেল, ডেলা, এবং মনসারাম প্রস্তুত হচ্ছিল। ভাটেল একটি Y-আকৃতির লাঠি হাতে নিয়ে দলের সাথে গরম রোদে হাঁটতে শুরু করল।


ডেলা: (ভাটেলের পাশে হাঁটতে হাঁটতে) "দাদু, আপনি কিভাবে জানেন জল কোথায়? এটা কি জাদু?"


ভাটেল: (মৃদু হেসে) "জাদু নয়, নাতনি। এটি এমন একটি দক্ষতা যা আমি আমার বাপ ঠাকুরদা র কাছ থেকে পেয়েছি। লাঠি আমার সাথে কথা বলে।"


মনসারাম: (মাথা নাড়িয়ে) "ভাটেল সবসময় এটি অনুভব করে। তার বাবা-দাদা ও একইভাবে এটি করেছেন। এটি এমন কিছু যা আপনি আপনার হাড়ে অনুভব করেন।"


কমলবাবু: (রাজীবকে বোঝাতে) "রাজীব, দেখ, এখানে মাটি শুকিয়ে গেছে এবং জল খোঁজা অত্যন্ত জরুরি। সাঁওতালরা তাদের জীবন ধারনের জন্য এই প্রাচীন প্রথার উপর নির্ভর করে।"


রাজীব: (সন্দেহভরে) "এবং এই লাঠিটি আসল সম্বল, বিশ্বাস হয় না?"


ভাটেল: (হেসে) "দেখবেন বন্ধু। পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ করার নিজস্ব উপায় আছে।"


---


দৃশ্য ৩: অনুসন্ধান শুরু


দলটি নিরলস সূর্যের তাপে হাঁটতে থাকে, মাইলের পর মাইল। Y-আকৃতির লাঠিটি শক্ত হাতে ধরে, ভাটেল মাটির ওপরের সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। ডেলা তাকে নিবিড়ভাবে দেখছে এবং তার পদক্ষেপগুলি অনুকরণ করছে।


ডেলা: (কমলবাবুকে ফিসফিস করে) "দাদু, আপনি কি মনে করেন আজ জল পাওয়া যাবে?"


কমলবাবু: (মাথায় হাত বুলিয়ে) " হ্যাঁ রে পাগলি,জল পাওয়া গেলে ভাটেল পাবে।"


ভাটেল হঠাৎ থেমে হাত তুলে বলেন, "চুপ, সবাই। আমি শুনতে পাচ্ছি।" দলের সদস্যরা থেমে যায় এবং সব শব্দ স্তব্ধ হয়ে যায়। ভাটেল স্থির হয়ে দাঁড়ান, লাঠিটি মাটির দিকে নিচু হয়ে যায়। হঠাৎ, লাঠিটি যেন একটি জীবন্ত জিনিস, মাটির দিকে সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ে!


ভাটেল: (ফোকলা দেঁতো হেঁসে) "এখানে। জল এখানে।"


রাজীব: (আশ্চর্য হয়ে) "আপনি এত নিশ্চিত কীভাবে?"


ভাটেল: (আত্মবিশ্বাসের সাথে) "লাঠি কথা বলেছে। এখানে খোঁড়ো।"


---


 দৃশ্য ৪: খনন


সবাই ভাটেলের দেখানো জায়গা খোঁড়া শুরু করে। সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়েছে এবং তাদের ঘাম ঝরছে। ঘণ্টা ঘণ্টা ধরে খনন করা হলেও, কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না।


রাজীব: (হাঁপাতে হাঁপাতে) "আপনি নিশ্চিত, ভাটেল? আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা খনন করছি।"


মনসারাম: (খুঁড়তে হাঁটতে) "ধৈর্য ধরো, রাজীব। পৃথিবী তার গুপ্তধন প্রকাশ করতে সময় নেয়।"


ডেলা: (উৎসাহিত হয়ে) "দাদু কখনো ভুল করেননি।"


হঠাৎ, একজন খননকারীর  চিৎকার।


খননকারী: "জল! জল দেখতে পাচ্ছি!"


দলটি উল্লাসে নেচে উঠলো। জলের একটি ছোট স্রোত গর্তে গড়াতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে আয়তনে বৃদ্ধি পায়।


ভাটেল: (নিঃশব্দে হেসে) "এটা নির্ভর করে কে কত বিশ্বাস নিয়ে জিগেস করছে, তবে পৃথিবী সব সময় দিচ্ছে, আমরা পৃথিবীকে মর্যাদা দি না।"


কমলবাবু: (রাজীবের দিকে ফিরে) "এখন কি তুমি পুরানো পদ্ধতিতে বিশ্বাস করো, বন্ধু?"


রাজীব: (বিস্ময়ে) "আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। এটি অবিশ্বাস্য।"


---


 দৃশ্য ৫: ভালপাহাড়ে ফিরে


দলটি ভালপাহাড়ে ফিরে আসে, ক্লান্ত কিন্তু বিজয়ী। তারা ল্যাম্পের চারপাশে বসে, গল্প ও খাবার ভাগ করে নেয়।


কমলবাবু*: (রাজীবের উদ্দেশে) "এখানেই জীবন। আমাদের প্রবীণদের পুরানো পদ্ধতি ও প্রজ্ঞা আমাদের টিকিয়ে রাখে।"


রাজীব: (চিন্তা করে) "এই ঐতিহ্য থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। এটি হারিয়ে না যায় যেমন আমরা আধুনিকতার চাপে জল ফ্রিজে রাখি।"


ডেলা: (ভাটেলের পাশে বসে) "দাদু, আমাকে লাঠি শুনতে শেখাবে?"


ভাটেল: (ওর মাথায় হাত দেয়) "একদিন হবে। আপাতত, আমাদের উচিত পৃথিবীর কথা শোনা ও সম্মান দেওয়া, গাছপালা বাঁচিয়ে রাখা। তখন জল খোঁজার জন্য এত কষ্ট করতে হবে না।"


মনসারাম: (কাপ তুলে) "ভাটেলের কাছে, জলের ফিসফিসকারী এবং পুরানো পদ্ধতি যা আমাদের গাইড।"


সবাই: (কাপ তুলে) "ভাটেল!"


---


 দৃশ্য ৬: একটি শান্ত প্রতিফলন


রাতে, কমলবাবু এবং রাজীব বারান্দায় বসে আকাশের দিকে তাকাচ্ছেন। 


রাজীব: (নিরবতা ভেঙে) "ধন্যবাদ আমার সাথে শেয়ার করার জন্য, কমলবাবু। এটি একটি অভাবনীয় অভিজ্ঞতা ।"


কমলবাবু: (মাথা নাড়িয়ে) "মাটি অনেক কিছু গোপন রাখে, রাজীব। আর এখানকার মানুষ শুনতে শিখেছে। এটি মনে রাখার মতো একটি পাঠ।"


রাজীব: (মুচকি হেসে) "আমি এটা কখনো ভুলব না।"


রাত গভীর হয়, এবং গ্রামের শব্দগুলি শান্তিপূর্ণ ছন্দে স্থির হয়। পুরুলিয়ার বিস্তীর্ণ আকাশের নীচে, পৃথিবী এবং এর লোকদের জ্ঞান একটি নিরন্তর ফিসফিস রয়ে গেছে, যুগে যুগে তাদের পথ দেখায়।


---


**কমলবাবু** যখন অক্লান্ত ও নিঃস্বার্থভাবে ৩০ লক্ষ গাছ লাগালেন, তখন একটি পুকুর মাঝখানে সৃষ্টি হলো, জলাভাব কিছুটা কমলো এবং হয়তো ডাউজারের আর দরকার পড়ে না l

আজ কমল বাবু নেই কিন্তু ঐ তিরিশ লক্ষ গাছ তাঁর কাজের সাক্ষী l তিনি ঐ তিরিশ লক্ষ গাছ, মাটি, পুকুর এর মধ্যে দিয়ে আমদের মধ্যেই সর্বদা আছেন l জয় বৃক্ষনাথ!

Thursday, March 31, 2022

কমল, ভালপাহাড় ও আমি

কমল, ভালপাহাড় ও আমি আমি একটা কর্পোরেট অনুষ্ঠানে গেয়েছিলাম এই বছর আটেক আগে।কলকাতার এক নামকরা হোটেল এর banquet হল। আমার লেকচার ছিল।সবাই রীতিমত অফিস পোষাকে ছিল শুধু একজন বাদে। আমি একটু অবাক হলাম সাদা দাড়িবালা খদ্দরের পাঞ্জাবি ধুতি আর ঝোলা।দেখে ভাবলাম Mr Rath যিনি organise করেছেন তাঁর কোন ধর্ম গুরু হবেন, যোগা টগা নিয় হয়তো জ্ঞান দেবেন। যথা রীতি প্রোগ্রাম প্রদীপ জ্বালিয়ে শুরু হল। বক্তারা নিজেদের বক্তব্য রাখলেন।আমিও আমার ভাষণ দিলাম, আমি তৈরি ভাষণ দি না, তখনকার পরিস্থিতি অনুযায়ী তখন বানিয়ে ফেলি। শেষে ঐ দাড়িবালা ভদ্রলোক উঠলেন, পরিচয় দেয়া হল ডক্টর কমল চক্রবর্তী ভাল পাহাড় থেকে, উনি একটা স্কুল চালান গরিব বাচ্চাদের জন্য পুরুলিয়া তে। সাদা সাপ্টা ভাষায় বাংলা ইংরেজি হিন্দি ।মিশিয়ে লেকচার। বর্ণনা দিলেন কি ভাবে 200 টা বাচ্চাদের পড়াশুনা খাওয়াদাওয়া ওষুদ পত্তর ইত্যাদি ওনার সংস্থা দিনের পর দিন দিচ্ছে। তাছাড়া এক অনুর্বর জমি যেখানে কোন গাছ ছিল না সেখানে তখন 6 লাখ এর ওপর গাছ লাগিয়েছেন।ভাবা যায় না। আমি অবাক হয় শুনছি। পরে ওনাকে ডেকে আলাপ করলাম। জিগেস করলাম এত সব করার জন্য পয়সা লাগে সেটা কি ভাবে জোগাড় করেন। হেঁসে বললেন ওই আপনাদের মত লোকের সাহায্যে হয় যায়। ঠিক মনে নেই কত টাকা তখন দিয়েছিলাম কিন্তু ওনাকে আমার কার্ড দিয়ে বললাম আমার অফিসে আসুন দেখি একটা কিছু করতে পারি কিনা। ওই খান থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। সে বছর 1 লক্ষ টাকা কোম্পানি থেকে দেয়ার বন্দ বস্ত করে দিয়েছিলাম।পরে ওই অংক টা বছরে 2 লক্ষ করা হল, এখন 3 লক্ষ বছরে। তা ছাড়া আরেক কোম্পানি থেকে আটটা শিক্ষকের মাইনে এবং বাচ্চাদের জন্য বই খাতা পেন্সিল ইত্যাদি করে দেয়া হল। কমল যখনই আমার অফিসে আসে তখন আমি কর্পোরেট জগৎ থেকে অন্য জগতে চলে যাই। অফিসে শুভ্রা ওনার সব লেন দেনের কাগজ ঠিক করে দেয়। আমি ইংরেজি তে ছোট গল্প লিখি অনেক দিনের ইচ্ছে ঐগুল অনুবাদ বাংলায় করে বই বার করা। কমল আমার ঐ ইচ্ছাপূরণ করে দেয়। নিজে উদ্যোগ নিয়ে তিন টে বই 2018,2019 এবং 2020র বই মেলা তে প্রকাশ হয়।আমার ইচ্ছে পূরণ ও করে দিল। কমল গত আট বছরে প্রায় আমার অফিসে আসে জমিয়ে আড্ডা হয় না না বিষয় নিয়ে। বই প্রকাশের সময় কমলের সঙ্গে আমার স্ত্রী মাধুরীর আলাপ হয়। বই মেলাতে অভিযান publisher এর সামনে বেশ জমিয়ে আড্ডা। তারপর একটু দূরে আমরা সব কমল, গোপাল, শুভ্রা, মাধুরী চায়ের দোকানে যাওয়া চা আর সিঙ্গাড়া খাওয়া।সে এক অভিজ্ঞতা। মাঝখানে কোভিডের আগে শুভ্রা ভালো পাহাড় ঘুরে এলো কিন্তু আমার যাওয়া হয় উঠলো অনেক পরে।ওর মুখে ওখানকার বিষয় বেশ কিছু জানতে পারলাম এবং ভাবলাম টুক করে ঘুরে আসা যায়। কমল ততক্ষণে 30 লক্ষ গাছ লাগিয়ে ফেলেছে, ঝুড়ি ঝুড়ি এয়ার্ড আর লাইন কর বই মেলা ডিস্ট্রিক্টে ডিস্ট্রিক্টে attend করছে। শুধু ভাবি লোকটা টাটার ভাল চাকরি ছেড়ে দিয়ে ভব ঘুরে চেহারা নিয়ে ওই রকম একটা রুক্ষ জায়গাটা কে গাছ পালা লাগিয়ে চেহারা পাল্টে দিয়েছে!বিয়ে করলনা, জীবনটা অন্যদের জন্য উৎসর্গ করে দিল।আর আমরা শুধু নিজেদের এবং নিজের বন্ধু বান্ধব relative নিয়েই ব্যস্ত, কতটা সময় আমরা দি গরিব দুস্থ দের জন্য। আমরা বেশির ভাগ আপনি বাঁচলে বাপেরনাম প্রিন্সিপলে চলি। আলাপ হবার পর থেকে আমি চেষ্টা করতে লাগলাম যাতে আমি কমলের কাজে আসতে পারি, ওই ওর পাওয়া পুণ্যের কিছুটা যদি পাই এই আরকি। শেষ মেষ 2021 নভেম্বর মাসের শেষ দিকে যাওয়া স্থির হল। আমি,মাধুরী, শুভ্রা আর আমার ড্রাইভার গোপাল। হৈ হৈ করে ইস্পাত চেপে ঘাটশিলা আর তারপর কমল যে গাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল সেটা চেপে 40 km রাস্তা।লাঞ্চ অব্দি পৌঁছেগেলাম। মনে মনে ভাল পাহাড়ের একটা ছবি এঁকে ছিলাম কিন্তু মিলল না। আসা করিনি ঐ রকম man made ফরেস্ট, সে এক বিশাল ব্যাপার। তারপর compound এ হাঁস মুরগি রাজ হাঁস ব্যস্ত হয়ে ছুটে বেড়াচ্ছে এদিক ওদিক, সম্পূর্ণ স্বাধীনতা।আমরা খাচ্ছি ওরা টেবিল চেয়ারের তলায়।এ যেন জন্তু জানোয়ার সব এক। ওদের জন্য আলাদা করে জল খাবার সব রাখা। আমরা রুমে জিনিস রেখে ফ্রেশ হয়ে খেতে বসলাম।সেকি কমল নিজে আমাদের রুমে চেক ইন করালো আবার দেখছি ওই আমাদের ভাত ডাল তরকারি বেড়ে দিলো।কমল একাই আমাদের দেখা শুনা করে যাচ্ছে হাঁসি মুখে, মাঝে মাঝে ফাজলামিও করছে।এ যেন নিজের বাড়িতে বসে খাওয়া ।মোটা সেদ্দ চালের ভাত, টেল টেলে ডাল আর মাছ সবজি, কিন্তু ঐ পরিবেশে ওটাই সাভাবিক তাই বেশ তৃপ্তি করে খেলাম আমরা সবাই। বিকেলে আর পরের দিন সকাল মানুষের তৌরি জঙ্গল ঘুরে দেখা।শুধু গাছ আর গাছ, কত রকম। কমল নিজে গাছ গুলোর চারা নানা জায়গা থেকে জোগাড় করছে।দিশি বিদেশি সব রকম। শুভ্রা তার একটা লিস্ট বানিয়ে ফেলল। আমরা বেশির ভাগ সময় dinning টেবিলে অথবা canopy র নিচে কমলের সঙ্গে আড্ডা মেরে কাটিয়ে দিলাম।কমল নিজের স্মৃতির ঝুড়ি থেকে নানা রকম সেলেব্রিটি র গল্প,তারপর সুনিল, শীর্ষেন্দুর, সমরেশ মজুমদারের আলাপের গল্প। গল্পে সিনেমা স্টার রাও এসে গেল। অপর্ণা, মিঠুন তাদের গল্প। এদিকে চার ডাক্তার তাদের বাচ্চাদের নিয়ে পৌঁছলো। তারা ঐ গরিব বাচ্চাদের হেলথ চেক up, স্পেশাল লাঞ্চের বন্দোবস্ত করে দিল। মাঝে মাঝে কমলের কাছে ফোন আসে ঘর খালি আছে কিনা গেস্ট হাউসে। এই সব দেখে আর দু দিন থেকে বুঝলাম লেখা পড়া জানা সুস্থ মস্তিষ্কের লোক আজকাল সার্থ ছাড়া কোন মনের মত মানুষ পায় না সুখ দুঃখের গল্প কিংবা কিছু পড়াশুনা নিয়ে গল্প। পলিটিক্স, সিনেমা, ক্রিকেট ছাড়া যে অন্য বিষয় নিয়ে গল্প করা যায় সেটা কমলের সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর বুঝতে পারে।কেমন করে দুটো দিন কেটে গেল বুঝতে পারলাম না। ওখানে গিয়ে আরেক কমলকে পেলাম। ওকে আমি মজা করে বলি তোমার কোন রূপটা এখন দেখছি। বুঝলাম ভালোপাহাড় মানে ।গাছ কমল আর ওই বাচ্চারা। এত খ্যাতি পুরস্কার পাওয়া লোকটা ওই রকম সাদা সাপ্টা জীবন জাপন করে,কোন অহংকার নেই, নিজেকে উৎসর্গ করে দিল অন্য দের জন্য।সকাল থেকে চিন্তা 60 টা গরুর খাওয়া, গেস্ট হাউসের লোকদের দেখা শুনা, বাচ্চাদের পড়া শুনো খাওয়া, ওষুধ পত্র, গাছের চর্চা, একেবারে নিঃস্বার্থ ভাবে। তার মধ্যে আবার উপন্যাস, ছোট গল্প, কবিতা লেখা। পুজো সংখ্যার জন্য লেখা, ধারাবাহীক ম্যাগাজিনের জন্য লেখা। আশ্চর্য আছেতো মাত্র 24 ঘন্টা রোজ। তারপর ঘুরে ঘুরে টাকা তোলা ঐ এস্টাব্লিশমেন্ট কে চালিয়ে রাখার জন্য। আমি আমার জীবনে এমন মানুষ দেখিনি এবং শুনিওনি। আমার সেলাম কমল তোমাকে। আমি পাসে আছি।

Monday, January 01, 2018

What do i remember?

What do I remember?


Another year has started, not by itself but as declared by calendar. Like any other day there is no change of routine of the sun, it came up as per schedule but we human have the power of thinking so for us 1st of January is kind of reminder that another year gone or another year has come. Our aging does not depend on calendar, we age by nanoseconds, our DNA,gene etc drive the process which depends directly or indirectly on our life style too.
The above preamble is just hard facts which are undeniable cutting across caste, creed,religion and region. The main operating system is our mind and which is the real driver. I have heard people writing or saying that they are happy, I think it is more of self-assertion for himself. If someone ask me today what has been my happiest moment, then I cannot reply immediately. The problem is that when one gets that happy moment then he does not keep track, it just happens. So looking back the year gone I would remember those physically satisfying things like purchase of latest gadgets, arrival of a new born baby, travelling to exotic places, chilling out with friends, playing a satisfying round of game, reading a book, hearing a new song etc…the list is long. As I was postulating that happiness is the moment and which does not get recorded in conscious mind but subconscious stores it. Somedays I get up feeling happy but I don’t know the reason what triggered it. May be the getting up, the sun light, surrounding silence, fitness of body, looking forward to something etc all put together created that oft mentioned cliche, feel good factor.
The other day while talking to Dr,Kamal Chakraborty I commented that I always find him happy, then I derived that as everyday he is not working for himself but for those poor 200 plus tribal kids in his setup Bhalopahar and that selfless deed of his keeps him perpetually happy. So looking back I can say I too felt happy whenever I was doing something for Bhalopahar or for those poor boys of Tollygaunge slums. Last year I started colour painting and while putting colour I was mentally transported to those places same way as I feel while reading a book, all these feelings again get lodged in subconscious and for which we don’t have a key to push.
It is simple, as they say, happiness is the state of mind. Try enabling that mind to capture more positive thoughts so that those are present predominantly in the subconscious.

A very Happy New Year.

Sunday, February 19, 2017

It is all about humanity

It is all about humanity
…………………………………

The other day Dr.Kamal Charaborty, a renowned social worker of Bengal was in my office. He had a lucrative corporate job with TISCO,Jamshedpur but left that to serve the poor tribal of Purulia. He located a barren land and started the school Bhalopahar and planted more than 30 lacs trees. The school offers free education and midday meal to the poor children free of cost. He has undertaken organic farming after creating ponds by rainwater harvesting. The day he came a knowledge sharing session in our office was in progress. One young engineer Rangam Das was sharing his experience of EHV testing of transformer witnessed by him in ABB works.
At the conclusion I took Dr.Chakraborty to the conference hall and requested him to address the young engineers of our organization ,Techno Electric Engg Co. He shared his experience of establishing that school in that remote location and graphically described the poverty of that region. He narrated that they are so poor that the ladies have only one saree, after washing the saree she would hide behind the trees waiting for the saree to dry up. While describing this facet he broke down, practically every one of us had moist eyes, got touched by the plight of those poor Indians whereas here we were relaxing in AC hall. He said that he runs the setup by donations from corporates and individuals. He made a request for donation of any kind.
After the lecture in my chamber he asked my opinion, I was skeptical and expressed so.
To my utter surprise I was proved absolutely wrong in judging the young lot. One young engineer came to my chamber and thanked me for the interaction with Dr.Chakraborty and expressed that he wanted to do something. While talking about the poor ladies of Purulia he broke down and I too could not check myself. Later on my PA Shubhra informed that many of them were approaching her for donation. I met a bright engineer who has passed out of Shibpur , he came to me and said he will organize a donation box where old clothes, books, stationeries can be donated. That boy who first came gave a cheque of 2000 as donation.
I am flabbergasted by the spontaneity of the reaction and it is beyond my imagination. All of them said, “ We always wanted to do something for the society but did not know which is genuine organization. We are sure about Dr.Chakraborty who has given his life for those poor by remaining unmarried.” I shared with them that as he is a renowned novelist and poet so all his earnings go to the school. I too in my small way make monthly contribution in addition to organizing corporate contributions from Techno and WPIL where I am Independent Director.
The above incident has opened my eyes about the younger generation as they externally don’t show but has that spirit dormant in them which requires a small nudge to make them act in the right direction. The firs engineer who came to my chamber travels from outside Kolkata for office and gets dialysis of his father done twice a month; with this burden he donated 2000 bucks. I am happy that though there is lot of negativism projected by the social network, print media, electronic media but there is a silent majority who are pure , think about others and they are young. This makes me optimistic about the future of India.

I thought of sharing this incident with you all.